1. mmisuk010@gmail.com : Misuk joy : Misuk joy
  2. rijukushtia@gmail.com : riju :
শিরোনামঃ
কুষ্টিয়ায় প্রভাবশালীদের দেওয়াল ভাঙলো প্রশাসন, স্বস্তিতে ২৫ পরিবার ইকসু ও হল সংসদ নির্বাচন গঠনতন্ত্র বা সংবিধি প্রণয়নের জন্য ১১ সদস্যের কমিটি গঠন সাজিদের হত্যাকারীদের গ্রেফতার দাবিতে ইবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ কুষ্টিয়ায় নকল ওষুধ তৈরি: প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা ইবি ছাত্রদলের সদস্য সচিবের মায়ের আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল কুষ্টিয়া কুমারখালীতে ছয়দিন ধরে বৃদ্ধ নিখোঁজ ক্যাম্পাসে রিকশা-ভ্যান চালকদের মাঝে ইবি জিয়া পরিষদের রেইনকোট বিতরণ কুষ্টিয়ায় নিখোঁজের একদিন পর নারীর মরদেহ উদ্ধার কাউন্সিলর ইফতেখার আহমেদ রঞ্জু’র ওয়ার্ডবাসিকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি আজও কাঁধে নিয়ে ঘুরছে দারে দারে—? স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পথে প্রান্তে মানবতার উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় বানভাসিদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ
repliquemontre.co
www.igetaustralianvapor.com
www.topwatchesol.com

fake rolex

relojes replica

shi sha magic
franck muller replica

বিএনপি কর্মী হত্যা মামলায় কুষ্টিয়ার সাবেক এসপি গ্রেফতার

  • আপডেট টাইমঃ সোমবার, ২৮ জুলাই, ২০২৫
  • ৫০ মোট ভিউ

এর আগে গত ২৬ ডিসেম্বর বিএনপি কর্মী সুজন মালিথাকে গুলি করে হত্যা মামলার প্রধান আসামি এই পুলিশ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কুষ্টিয়া কারাগারে ছিলেন।

সোমবার দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে কড়া নিরাপত্তায় কারাগার থেকে কুষ্টিয়া আদালতে আনা হয়। এরপর দৌলতপুর আমলি আদালতের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তফা পারভেজের আদালতে হাজিরা করা হয়। এরপর তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। পরে ১টা ৫১ মিনিটে আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়।

উপ-পুলিশ কমিশনার তানভীর আরাফাত সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি অফিসে সংযুক্ত ছিলেন। তার গ্রামের বাড়ি খুলনার খালিশপুর উপজেলায়। কুষ্টিয়ায় চাকরিকালে বিতর্কিত ছিলেন পুলিশ কর্মকর্তা এসএম তানভীর আরাফাত। কুষ্টিয়া জেলায় আসার পর থেকেই নানা কর্মকাণ্ডে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এমনকি এসব কাণ্ডে তাকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়। ভুগতে হয় বিভাগীয় শাস্তিও।

নিহত বিএনপি কর্মী কুদরত আলীর ছেলে ফেরদৌস বাদী হয়ে ২০২৪ সালের ২ অক্টোবর দৌলতপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন যে, আমার বাবা কুদরত আলী বিএনপির একজন সক্রিয় সমর্থক ছিলেন। এলাকায় তার ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকার কারণে সভা সমাবেশে ও কর্মসূচিতে আমার বাবা কুদরত আলী ব্যাপক লোকসমাগম করতে পারতেন। এ কারণে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা ও কিছু সুবিধাভোগী পুলিশ আমার বাবাকে মিথ্যা মামলায় আটক ও হত্যা করার পরিকল্পনা করে। যাতে বিএনপির কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করতে না পারে। এ ষড়যন্ত্রের পরিপ্রেক্ষিতে আসামি পরিদর্শক (তদন্ত) নিশি কান্ত সরকার, এসআই রোকনুজ্জামান, এসআই মেহেদী হাসান, এসআই শাহজাহান, এএসআই আনিচুর রহমান ও কুষ্টিয়া জেলার সাবেক পুলিশ সুপার এসএম তানভীর আহমেদসহ অন্য পুলিশরা আমার বাবাকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২০ সালের ২৩ জুলাই রাত ২টার দিকে আমাদের নিজ বাড়ি মুন্সীগঞ্জে উল্লেখিত আসামিরাসহ অজ্ঞাত ১০-১২ জন পুলিশ আসে এবং আমার বাবা কুদরত আলীকে বাড়ি থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে ২৫ জুলাই ভোরবেলায় শুনতে পাই আমার বাবাকে হত্যা করা হয়েছে। বাবার লাশ থানায় রাখা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর বিএনপির কর্মী সুজন মালিথাকে গুলি করে হত্যার অভিযোগে কুষ্টিয়ার সাবেক এসপি তানভীর আরাফাতের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর নিহত সুজনের রাজনৈতিক বড় ভাই সুজন হোসেন (৪২) বাদী হয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় মামলাটি করেন। মামলায় মোট ১৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে আরও ১০-১২ জনকে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও পড়ুনঃ
© All rights reserved © 2021 | Powered By Sattokhobor Media Ltd
Site Customized By NewsTech.Com