1. mmisuk010@gmail.com : Misuk joy : Misuk joy
  2. rijukushtia@gmail.com : riju :
শিরোনামঃ
কুষ্টিয়ায় প্রভাবশালীদের দেওয়াল ভাঙলো প্রশাসন, স্বস্তিতে ২৫ পরিবার ইকসু ও হল সংসদ নির্বাচন গঠনতন্ত্র বা সংবিধি প্রণয়নের জন্য ১১ সদস্যের কমিটি গঠন সাজিদের হত্যাকারীদের গ্রেফতার দাবিতে ইবি ছাত্রদলের বিক্ষোভ কুষ্টিয়ায় নকল ওষুধ তৈরি: প্রতিষ্ঠানকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা ইবি ছাত্রদলের সদস্য সচিবের মায়ের আত্মার মাগফেরাত কামনা দোয়া মাহফিল কুষ্টিয়া কুমারখালীতে ছয়দিন ধরে বৃদ্ধ নিখোঁজ ক্যাম্পাসে রিকশা-ভ্যান চালকদের মাঝে ইবি জিয়া পরিষদের রেইনকোট বিতরণ কুষ্টিয়ায় নিখোঁজের একদিন পর নারীর মরদেহ উদ্ধার কাউন্সিলর ইফতেখার আহমেদ রঞ্জু’র ওয়ার্ডবাসিকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি আজও কাঁধে নিয়ে ঘুরছে দারে দারে—? স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন পথে প্রান্তে মানবতার উদ্যোগে কুষ্টিয়ায় বানভাসিদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ
repliquemontre.co
www.igetaustralianvapor.com
www.topwatchesol.com

fake rolex

relojes replica

shi sha magic
franck muller replica

গাইবান্ধায় বন্যায় পানিবন্ধি ৩০ হাজার পরিবার

  • আপডেট টাইমঃ শুক্রবার, ৫ জুলাই, ২০২৪
  • ১০৪ মোট ভিউ
গাইবান্ধায় বন্যায় পানিবন্ধি ৩০ হাজার পরিবার
গাইবান্ধায় বন্যায় পানিবন্ধি ৩০ হাজার পরিবার

ভারী বর্ষন এবং উজান থেকে আসা ঢলে গাইবান্ধা বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারন করেছে। গাইবান্ধা সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্ধি হয়েছে। পানিবন্ধি পরিবারগুলো ইতিমধ্যে উচু স্থানে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাঁধে এবং আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে শুরু করেছে। গৃহপালিত পশুপাখি, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা, শিশু ও প্রসুতি নারীদের নিয়ে নিদারুন কষ্টে রয়েছে চরবাসি। বিশেষ করে বিশুদ্ধ পানি, গো-খাদ্য এবং চিকিৎসা সেবা নিয়ে বিপাকে চরবাসি। পানি বাড়ায় চরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর, বেলকা , হরিপুর, চন্ডিপুর, শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় বৃহস্পতিবার সকাল হতে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের সবগুলো চর ডুবে গিয়ে কমপক্ষে ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্ধি হয়ে পড়েছে। সেই সাথে চরের সবগুলো ফসলের ক্ষেত ডুবে গেছে। বন্যা আসলে তিস্তার শাখা নদীর আশপাশ ডুবে যায় পানিতে। বন্যা আসলেই শুরু হয় নদী ভাঙন। চলতে থাকে বছর ব্যাপী। নদী পাড়ের মানুষের দাবি, স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ দিনেও স্থায়ী ভাবে নদী ভাঙন রোধ, ড্রেজিং, নদী খনন, ও সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেনি সরকার। যার কারনে প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি, হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।

উপজেলা নিবার্হী অফিসার মো. তরিকুল ইসলাম জানান, সার্বক্ষনিক বন্যা পরিস্থিতি মনিটরিং করা হয়েছে। স্থানীয় ভাবে সকল প্রকার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। বরাদ্দের জন্য তালিকা পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ আসলেই তা বিতরণ করা হবে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও পড়ুনঃ
© All rights reserved © 2021 | Powered By Sattokhobor Media Ltd
Site Customized By NewsTech.Com