1. mmisuk010@gmail.com : Misuk joy : Misuk joy
  2. admin@wordpress.com : root :
  3. rijukushtia@gmail.com : riju :
শিরোনামঃ
স্ক্রিনশট আসল নাকি নকল, বোঝার উপায় কী? মাদারীপুরে আগুনে পুড়লো ১৯ দোকান রাজধানীতে অটোরিকশার ধাক্কায় নারীর মৃত্যু গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ১৫ বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে শিশু ধর্ষণ, প্রতিবেশী দাদা গ্রেপ্তার চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় র‌্যাবের অভিযানে ৬৫০ গ্রাম গাঁজাসহ দু’জন গ্রেপ্তার ২ গাজীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১ ভিপি নুরের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন গন অধিকার পরিষদের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শাখা সভাপতি (ভাঃ) আল আমিন মানব সেবা স্বেচ্ছাসেবী আদর্শ সংগঠনের উদ্যোগে ইফতার বিতরণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ইশরাককে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র ঘোষণা আদালতের
repliquemontre.co
www.igetaustralianvapor.com
www.topwatchesol.com

fake rolex

relojes replica

shi sha magic
franck muller replica

চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি খালেদা জিয়াসহ সব আসামি খালাস

  • আপডেট টাইমঃ বুধবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৪
  • ৪৬ মোট ভিউ
চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামি খালাস
চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামি খালাস

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে ৭ বছরের দণ্ড থেকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।  দণ্ডের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল মঞ্জুর করে বুধবার বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান। পরে আসিফ হাসান জানান, আদালত বেগম খালেদা জিয়াসহ তিনজনের আপিল মঞ্জুর করেছেন। ফলে তাদের সাজা বাতিল হলো এবং তারা খালাস পেলেন।

এর আগে গত ২০ নভেম্বর এ আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। এর আগে ৩ নভেম্বর আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) তৈরি করতে অনুমতি নেওয়া হয়েছিল।

সেদিন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও কায়সার কামাল বলেন, এ মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসনের দণ্ড মওকুফ করা হয়েছে। তারপরও আপিল শুনানি কেন! আমরা বলেছি, তিনি (খালেদা জিয়া) আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। রাষ্ট্রপতি মওকুফ করেছেন। সেখানে ক্ষমার কথা আছে। খালেদা জিয়া ক্ষমার প্রতি বিশ্বাসী নন। তিনি অপরাধ করেননি। তিনি ক্ষমাও চাননি। তাই এটি আইনিভাবে মোকাবিলা করতে আইনজীবীদের নির্দেশ দেন।

২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের সাত নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান (বর্তমানে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি) জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

একইসঙ্গে তাকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সাজা হয় মামলার অন্য তিন আসামিরও।

দণ্ডপ্রাপ্ত অন্য তিন আসামি হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার তৎকালীন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী (প্রয়াত), হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। সে সময় হারিছ চৌধুরী পলাতক হন। বাকি আসামিরা হাইকোর্টে আপিল করেন।

২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা করা হয়। ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে মামলাটি করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তদন্ত শেষে ২০১২ সালে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয় দুদক।

২০১৪ সালের ১৯ মার্চ খালেদাসহ চার আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শেষ হলে দুদকের পক্ষে এ মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে ২০১৮ সালের ১৯ অক্টোবর রায় ঘোষণা করা হয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরোও পড়ুনঃ
© All rights reserved © 2021 | Powered By Sattokhobor Media Ltd
Site Customized By NewsTech.Com